মঙ্গলবার

৬ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২১শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধামরাইয়ে বাড়ী ভেঙে জমি দখলের চেষ্টা: থানায় অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকার ধামরাইয়ে বাড়ী ভেঙে জমি দখল চেষ্টা ঘটনায় গ্রামবাসীর ধাওয়ায় নিজ মোটরসাইকেল রেখে পালিয়ে গেছে দখলকারীরা।

সোমবার (৫অক্টোবর) বিকেলে ভুক্তভোগী নাজিম উদ্দীন বাদী হয়ে ৯জনের নাম উল্লেখ করে ২০থেকে ৩০জনকে অজ্ঞাত আসামী করে ধামরাই থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাযের করেছন।

এর আগে শুক্রবার (২অক্টোবর) দিনগত সন্ধ্যায় উপজেলার আমতা ইউনিয়নের বাউখন্ড গ্রামে এমন ঘটনাটি ঘটে।

অভিযুক্তরা হলেন, মনোয়ার হোসেন মানু, আঃ মুন্নাফ, লাল মিয়া, মোঃ মামুন, ফরিদা স্বামী আঃ মুন্নাফ, সোনিয়া স্বামী শওকত, সখিনা স্বামী মনোয়ার হোসেন মানু এরা বাউখন্ড গ্রামের বাসিন্দা। বালিয়া ইউনিয়নের সুত্রাপুর গ্রামের মৃত জাম্বু মিয়ার ছেলে আঃ রহিম, আমতা ইউনিয়নের আগজেঠাইল গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে ইনছাদ আলীসহ ২০থেকে ৩০জন অজ্ঞাত আসামী।

স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে একদল বহিরাগত লোক নাজিম উদ্দীন এর বাড়ীতে ডুকে ঘরবাড়ী ভেঙে জমি দখলের করার সময় গ্রামের লোকজন খবর পেয়ে যার যার মত ছুটে আসে।

এই সময় গ্রামের লোকজন মিলে তাদের ধাওয়া দিলে তাদের ব্যবহিত মোটরসাইকেল রেখে দৌড়িয়ে পালিয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে কাওয়ালীপাড়া পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

এই বিষয়ে নাজিম উদ্দীন বলেন, আমি পৈত্রিক সূত্রে জমির মালিক হইয়া নিজ নামে নামজারী করে ভোগদখল করিয়া আসছি। পরবর্তীতে বিবাদীগণ সেই জমি নিজদের দাবি করে দখলের চেষ্টা করছে।

শুক্রবার বিকালে আমি কাজে জন্য বাহিরে যাই। এই সময় অভিযুক্তরা সন্ত্রাসী ভাড়া করে আমার জমি দখল নেওয়ার চেষ্টা করে। পরে গ্রামবাসী বুঝতে পেরে তাদেরকে ধাওয়া দিলে তারা দৌড়িয়ে পালিয়ে যায় বলে জানতে পারি।

তাসলিমা আক্তার নামে এক প্রবাসীর স্ত্রী বলে, ভাড়া করা সন্ত্রাসীদের দিয়ে আমাদের ঘরবাড়ী ভেঙে জমি দখল করার সময় আমি বাধা দিলে আমাকে মেরে আমার গলার চেইন নিয়ে যায়।

পরে আমার ডাকচিৎকারে গ্রামের মানুষ মসজিদের মাইকে ঘোষনা দেই গ্রামে ডাকাত পরেছে। তখন গ্রামবাসী সবায় মিলে আমাদের বাড়ী ছুটে আসে। গ্রামের সবায় মিলে সন্ত্রাসীদের ধাওয়া করলে তারা দৌড়িয়ে পালিয়ে যায়।

এই বিষয়ে ধামরাই থানার ওসি অপারেশন দেবাশীষ সানা বলেন, ঘরবাড়ি ভেঙে জমি দখলের একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিভাগের আরও সংবাদ

spot_img

সর্বশেষ