নিজস্ব প্রতিবেদক
মানিকগঞ্জ পৌরসভার বান্দুটিয়া এলাকায় বন্ধুদের দাঁড়ালো দেশীয় অস্ত্রের কুপে গুরুতরভাবে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আশরাফুল ইসলাম পলাশ (৩৩) নামে এক বন্ধু খুন হয়েছে।
সোমবার সকালে মানিকগঞ্জ জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় পলাশ। এ ঘটনায় দুইজনের নাম উল্লেখসহ কয়েকজনকে অজ্ঞাত আসামী করে মামলা করেছে নিহতের পরিবার।
ঢাকার ধামরাই উপজেলার গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়নের কাওয়াখোলা গ্রামের মৃত আব্দুল আজিজের ছেলে পলাশ বান্দুটিয়া এলাকার শশুর বাড়িতে থাকতেন।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় পৌরসভা এলাকার বেওথা ব্রীজের নিচে মুরগীর ফার্মের পাশে পলাশের দুই বন্ধুর উপস্থিতিতে বেশ কয়েক তরুন ও কিশোর এলোপাতাড়ি ভাবে পলাশকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে মৃত ভেবে ফেলে রেখে যায়। পরে স্থানীয়রা পলাশকে উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়।
খবর পেয়ে পলাশের স্বজনেরা পলাশকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যায়। সেখানে পলাশের শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে ফের আবার বান্দুটিয়া এলাকার শশুর বাড়িতে নিয়ে আসে। রোববার রাতে আবার পলাশের অবস্থা খারাপ হলে তাকে মানিকগঞ্জ জেলা হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোরে মারা যায় পলাশ।
পলাশ হত্যাকাণ্ডের সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আমান উল্লাহ বলেন, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বন্ধুরা কুপিয়ে জখম করে পলাশকে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় পলাশ।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। আসামীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পুলিশি অভিযান চলমান আছে। নিহত ব্যক্তির মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের নিকট হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও জানান ওসি আমান উল্লাহ।

