শনিবার

২রা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৯শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বোচ্চ মূল্য দিয়ে ধান কিনেছি: খাদ্য উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক: খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেন, চলতি বোরো মৌসুমের সময় স্মরণকালের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্য দিয়ে ধান ক্রয় করেছি। প্রতি কেজি ধানের দাম দিয়েছি ৩৬ টাকা। আর প্রতি কেজি চালের মূল্য দিয়েছি ৪৯ টাকা।

সোমবার (১১ আগস্ট) বিকেলের দিকে মানিকগঞ্জ সার্কিট হাউজে আয়োজিত খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি মতবিনিময় সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, আমরা কেনাতে কিন্তু মিল মালিকরাও বেশি দাম দিয়ে ধান কিনেছে। যার কারণে কৃষকরা ন্যায্য মূল্য পেয়েছেন। পাশ্ববর্তী দেশের তুলনায় বর্তমানে আমাদের দেশে খুচরা বাজারে চালের দাম অনেকটাই কম আছে।

উপদেষ্টা বলেন, ১৭ আগস্ট থেকে সারাদেশে ৫৫ লাখ পরিবার ১৫ টাকা দরে মাসে ৩০ কেজি করে চাল পাবে। আমাদের রেকর্ড সংখ্যক খাদ্য মজুদ আছে। আজকের সকালের মজুদ ২১ লাখ ৮০ হাজার মেঃটন। এদিক দিয়ে আমরা ভালো অবস্থায় আছি। খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি যেটা আছে, এটা চলবে আগস্ট থেকে নভেম্বর এবং ফেব্রুযারি টু মার্চ এই ছয় মাস পুরোদমে চলবে।

তিনি আরও বলেন, আমন ফসলের পুরোটা প্রকৃতির উপর নির্ভর, যদি কোন প্রাকৃতিক বিপর্যয় না হয়, তবে বিদেশ থেকে আমদানি করতে হতো না। কিন্তু আমরা হাত গুটিয়ে বসে থাকলাম তখন বিপর্যয় ঘটে গেলো, সেই বিষয় বিবেচনায় রেখে চার লাখ মে: টন খাদ্য আমদানির চ্যানেলের ব্যবস্থা রেখেছি।

খাদ্য উপদেষ্টা বলেছেন, আপনারা জানেন আমাদের সরকার সার,বীজ,কৃটনাশক,সেচ,বিদ্যুৎ সব মিলিয়ে প্রতি কেজি চাল উৎপাদনের ক্ষেত্রে ২০/২৫ টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে।

তিনি বলেন, আমরা চাই ভোক্তারা বিশেষ করে দরিদ্র ও নিন্মবিত্তের মানুষ যাতে আরো কম মূল্যে পায় সেই জন্য এই আয়োজন। গত বছর ছিলো ৫ মাসে ৫০ লাখ। তবে অন্তবর্তীকালীন সরকার এবার সেটা বাড়িয়ে ছয় মাস করে ৫৫ লাখ করেছে এবং ভবিষ্যতে এটাকে আরো বাড়ানোর পরিকল্পনা আছে।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক ড.মানোয়ার হোসেন মোল্লা, পুলিশ সুপার মোছা: ইয়াছমিন খাতুন, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোশারফ হোসেনসহ সরকারী বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।

এ বিভাগের আরও সংবাদ

spot_img

সর্বশেষ