নিজস্ব প্রতিবেদক
মানিকগঞ্জ জজ কোর্টের শিক্ষানবিশ আইনজীবী ও ব্যবসায়ী আব্দুল মালেকের ওপরে সন্ত্রাসী হামলাকারী আরিফুল ইসলাম খোকনের বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।
রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শহরের বিজয় মেলার মাঠের সামনে ঘন্টাব্যপী এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
গুরুতর আহত আব্দুল মালেক মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার দক্ষিণ সেওতা এলাকার সাইজুদ্দিনের ছেলে। সে মুদি মালামাল ও বিকাশের ব্যবসা করেন। বর্তমানে মালেক গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
অভিযুক্ত আরিফুল ইসলাম খোকন মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের রহমত আলীর ছেলে। খোকন বর্তমানে দক্ষিণ সেওতা এলাকায় বসবাস করেন।
এ ঘাটনায় গত বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) আহত মালেকের ভগ্নিপতি অ্যাডভোকেট রাকিবুল ইসলাম রাকিব সদর থানায় একটি মমলা দায়ের করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা জানান, ব্যবসায়ী আব্দুল মালেকের কাছে আরিফুলু ইসলাম খোকন চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। পরে গত বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে বিজয় মেলার মাঠের পূর্বপাশে দাঁড়িয়ে ছিলো মালেক। এমন সময় আরিফুল ইসলাম খোকন হত্যার উদ্দেশ্যে চাকু দিয়ে মালেককের পেটে ফাড়ি মারিয়া নারিভুরি বের করে ফেলে।
এছাড়াও আরিফুল সঙ্গে থাকা অজ্ঞাত আরও ১/২ জন মালেকের শরীরের বিভিন্ন জায়গাই দারালো অস্ত্র দিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। এমন ঘটনায় অভিযুক্ত আসামীর ফাঁসির দাবি দাবিতে এই মানববন্ধন করেন এলাকাবাসী।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, আহত মালেকের পিতা সাইজুদ্দিন, ভগ্নিপতি অ্যাড. রাকিবুল ইসলাম রাকিব, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল খালেক শুভ, জেলা কৃষকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ওবায়দুর রহমান পাভেল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য সচিব আওলাদ হোসেন, সাবেক ছাত্রদলের সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম খান সজিব, সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসিফুর রহমান খান রামিল, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক শামসুদ্দিন আহমেদ বাবু প্রমুখ।
এবিষয়ে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম আমান উল্লাহ বলেন, ঘটনার দিন রাতেই আমরা অভিযুক্ত আসামী আরিফুল ইসলাম খোকনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। আদালত আসামীকে কারাগারে প্রেরণ করেছেন। এ মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে।

