বৃহস্পতিবার

৫ই নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২০শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধামরাইয়ে চার বাড়ির সামনে কাফনের কাপড়, আতঙ্কে একালাবাসী

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকার ধামরাইয়ে রাতের আঁধারে গণপূর্ত অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তার বাড়িসহ চার বাড়ির সামনে কাফনের কাপড়, আতর, সাবান ও গলাকাটা মুরগি রেখে যাওয়ার ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারসহ আতঙ্কে এলাকাবাসী।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ভোররাতে উপজেলার কুল্লা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বড় চন্দ্রাইল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী পরিবারগুলো হলো, মোসলেহ উদ্দিন, ওয়াহিদ ভূইয়া রিপন ও সেন্টু মিয়ার বাড়ি। এর কয়েক মাস আগে সোহরাব হোসেন সাগরের বাড়ির সামনেও একইভাবে কাফনের কাপড়, আতর ও গোলাপজল রেখে যায়।

ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার ভোররাতে কে বা কারা ওই বাড়িগুলোর গেটের সামনে কাফনের কাপড়, আতর, সাবান ও গলাকাটা মুরগি রেখে পালিয়ে যায়। পূর্বশত্রুতার জের ধরে কেউ বা কারা ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করতে এই কাজ করেছে বলে ধারণা করছেন তারা। এ ঘটনায় চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন পরিবারগুলোর সদস্যরা।

ভুক্তভোগী মোসলেহ উদ্দিন বলেন, “গত মাসের ২০ তারিখে আমার বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। এতে বসতঘরের খাট ও আলমারিসহ যাবতীয় মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। সে সময় মুঠোফোনে হুমকিও দেওয়া হয়েছিল। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করলেও কোনো সহযোগিতা পাইনি।

সেই আতঙ্ক কাটতে না কাটতেই আবার আমার বাড়িসহ আরও কয়েকটি বাড়ির গেটের সামনে কাফনের কাপড়, সাবান, আতর ও গলাকাটা মুরগি রেখে দেওয়া হয়েছে। আমরা এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় আছি।

আরেক ভুক্তভোগী মুদিদোকানি সেন্টু মিয়া বলেন, “আমার বাড়ির সামনেও কাফনের কাপড়সহ আতর ও গলাকাটা মুরগি রেখে দেওয়া হয়েছে।

গণপূর্ত অধিদপ্তরের হিসাব সহকারী ওয়াহিদ ভূইয়া রিপন বলেন, “প্রতিবেশীর বাড়িতে আগুন লাগার পর তাদের সহযোগিতা করায় আমাদের ভয়ভীতি দেখানোর উদ্দেশ্যে এমন ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে মনে করছি। তবে কে বা কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা জানতে পারিনি। আমরা দ্রুত প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি।

এ বিষয়ে ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুল হুদা খান বলেন, খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিভাগের আরও সংবাদ

spot_img

সর্বশেষ