নিজস্ব প্রতিবেদক
র্যাব পরিচয় দিয়ে মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার জামশা বাজার এলাকা থেকে এক সোনা ব্যবসায়ীকে তাদের ব্যবহৃত হায়েসে উঠিয়ে নেয় কয়েকজন দুর্বৃত্ত। পরে জামশা বাজারে হায়েস গাড়িটিযানজটে পড়লে হায়েসে থাকা ওই ব্যবসায়ীর চিৎকারে গাড়িটি আটক করে স্থানীয়রা। পরে ওইব্যবসায়ীর নিকট থেকে ১০০ ভরি সোনা নিয়ে সটকে যায় ২/৩ জন দুর্বৃত্ত।
শনিবার সকাল ১০ টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। পরে ঘটনাস্থল থেকে ৫ দুর্বৃত্তকে আটক করে থানায়নিয়ে যায় সিংগাইর থানা পুলিশ। আটক ব্যক্তিরা হলেন, ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা থানার মিরাজুল শেখ (২৮), মো. সম্রাট (২৮), পাবনার আটঘরিয়ার আমিজুদ্দিন (৫০), হায়েসের চালক জানিব (৬২) ও নগরকান্দার তালমা এলাকার মো. শামিম (৪৪)।
ঢাকা জেলার দোহার থেকে ১০০ ভরি সোনা নিয়ে দোহারের জয়পাড়া বাজারের ‘নির্ঝর অলংকার নিকেতন’-এর মালিক সুমন বৈদ্য একটি অটোরিকশায় মানিকগঞ্জে যাচ্ছিলেন। পথে নবাবগঞ্জের নয়নশ্রী এলাকা থেকে একটি মাইক্রোবাস তাঁর পিছু নেয়। সুমনের অটোরিকশাটি সিঙ্গাইরের জামশা বাজারের কাছে গেলে হায়েস গাড়ি থেকে পাঁচ থেকে ছয়জন নেমে র্যাবের সদস্য পরিচয় দিয়ে সুমনকে গাড়িতে তুলে নেয়।
এরপর সুমনকে বেঁধে দুর্বৃত্তরা তাঁর কাছ থেকে স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেয়। গাড়িটি জামশা বাজার অতিক্রমের সময় যানজটে পড়ে। চলন্ত গাড়িতে চিৎকারের শব্দ শুনে স্থানীয় জনতা গাড়িটি ঘিরে ফেলে। এ সময় পরিস্থিতি বুঝে দুই-তিনজন সোনা নিয়ে পালিয়ে যান। বাকি পাঁচজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে জনতা।
সিংগাইর থানার ডিউটি অফিসার এসআই মোতালেব হোসেন বলেন, আটকব্যক্তিদেরকে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। এর বেশি কিছু তিনি জানেন না বলে মন্তব্য করেন।
সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়ারুল বলেন, ছিনতাই হওয়া স্বর্ণ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় আটক ব্যক্তিদের বিষয়ে অধিকতর খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।

